নিউজ

বৃত্তির তথ্য প্রেরণের সময় বাড়লো ১৫ জুন পর্যন্ত – মাউশি

দেশের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল, ইঞ্জিনিয়ারিং ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত রাজস্বখাতভূক্ত বৃত্তিপ্রাপ্ত (মেধা ও সাধারন) নিয়মিত শিক্ষার্থীদের বৃত্তির অর্থ G2P (EFT) পদ্ধতিতে অনলাইন ব্যাংক হিসেবে প্রেরণের লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের তথ্য ভুল সংশোধন ও নতুন শিক্ষার্থীদের তথ্য সংযোজনের সময় বর্ধিত করা হয়েছে আগামী ১৫ জুন ২০২০ তারিখ পর্যন্ত।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের ০৬ জুন ২০২০ তারিখে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সময় বর্ধিতকরণ এর তথ্যটি জানানো হয়। ‌

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের হতে রাজস্বখাতভূক্ত সকল ধরনের বৃত্তির অর্থ G2P পদ্ধতিতে অনলাইনে EFT এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীর ব্যাংক হিসেবে প্রেরণ করা হবে।

এ লক্ষ্যে ইতিপূর্বে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান হতে প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তালিকা সঠিক ব্যাংক হিসাব নম্বর, ব্যাংক শাখার তথ্য বিভিন্ন ধরনের ভুল পরিলক্ষিত হয়। বর্ণিত ভুলের কারণে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের G2P (EFT) পদ্ধতিতে কারণে বিঘ্ন সৃষ্টির কারণে ৫-৬-২০২০ তারিখ পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের তথ্য সংশোধন ও সংযোজন এর সুযোগ রাখা হয়। ‌

মহামারী তথা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আগামী ১৫ জুন ২০২০ তারিখ পর্যন্ত বৃত্তির তথ্য প্রেরণের সময়সীমা বর্ধিত করা হয়। ‌

এমতাবস্থায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংযুক্ত এমআইএস অনলাইন সফটওয়্যার লিংকে প্রবেশ করে ভুল সংশোধন ও নতুন বাদ দেওয়া বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তথ্য (২০১৯ সালের পিইসি, জেএসসি বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থী সহ) সংযোজন পূর্বক সংশোধিত চূড়ান্ত তালিকা প্রিন্ট কপি প্রতিষ্ঠান প্রধান ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার স্বাক্ষর ও সিল সহ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের ইমেইল dshe.stipend.fl@gmail.com ঠিকানায় প্রেরণ করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

প্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক প্রেরিত প্রিন্ট কপি ভিত্তিতে অর্থ প্রেরণের ব্যবস্থা করা হবে। তাই ভুলত্রুটি পূর্ণ তথ্যের কারণে শিক্ষার্থীদের বৃত্তির অর্থ প্রাপ্তিতে বিঘ্ন ঘটলে প্রতিষ্ঠান প্রধান দায়ী থাকবেন। ‌

উল্লেখ্য পাঠ বিরতি এবং মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের তথ্য প্রেরণ করা যাবে না।

এছাড়া স্বাক্ষর ও সিল প্রদান ব্যতীত প্রকৃত তালিকা সরাসরি বাতিল বলে গণ্য হবে। ‌

এ বিষয়ে কারিগরি সহায়তার প্রয়োজন এ অর্থ বিভাগ, অর্থমন্ত্রণালয়ের SPFMSP প্রকল্পের টেকনিক্যাল টিম ও মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের EMIS Cell, সহকারী প্রোগ্রামার, জেলা শিক্ষা অফিসের সাথে যোগাযোগ করা যেতে পারে।

আনসার আহাম্মদ ভূঁইয়া

আমি একজন অভিজ্ঞ শিক্ষক, শিক্ষা-তথ্য গবেষক এবং শিক্ষা বিষয়ক কনটেন্ট নির্মাতা, যিনি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের স্কুল-কলেজ শিক্ষা প্রশাসন, শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া, এমপিও কার্যক্রম, উপবৃত্তি, একাডেমিক নোটিশ এবং শিক্ষানীতির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কাজ করে আসছি। বাস্তব অভিজ্ঞতা, তথ্য যাচাই এবং সরকারি নির্দেশনার আলোকে নির্ভুল ও আপডেটেড তথ্য প্রদান করাই আমার প্রধান লক্ষ্য। এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আমি শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য নির্ভরযোগ্য, অথেনটিক এবং সহজবোধ্য শিক্ষা-সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করি। প্রতিটি কনটেন্ট প্রকাশের আগে তথ্যের উৎস যাচাই, নির্দেশিকা বিশ্লেষণ এবং ব্যবহারকারীর প্রয়োজন বিবেচনা করা হয়, যাতে পাঠকরা সঠিক ও কার্যকর নির্দেশনা পান। শিক্ষা ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য তথ্যের ঘাটতি দূর করা, জটিল প্রক্রিয়াকে সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করা এবং দ্রুত আপডেট পৌঁছে দেওয়া— এই তিনটি বিষয়কে আমি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করি। আমার বিশ্বাস, বিশ্বস্ত তথ্য, বাস্তব অভিজ্ঞতা এবং স্বচ্ছ উপস্থাপনই একটি শিক্ষামূলক প্ল্যাটফর্মের মূল ভিত্তি। সেই লক্ষ্যেই আমি নিরন্তরভাবে কাজ করে যাচ্ছি, যাতে শিক্ষাসংক্রান্ত সঠিক তথ্য সবার কাছে সহজে পৌঁছে যায়।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close

অ্যাডস্ ব্লকার পাওয়া গেছে!

দয়া করে আমাদের সাপোর্ট করার জন্য আপনার এডস্ ব্লকার ডিজেবল করে পেইজটি রিলোড করুন! ধন্যবাদ